তালাক ও রাজনীতি

তালাক ও রাজনীতি

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গত ২২ আগষ্ট ২০১৭ এক রায়ের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তালাক, তালাক, তালাক –অসাংবিধানিক, বেআইনি, অধার্মিক। এক নিঃশ্বাসে তিন বার তালাক বলে বিবাহ বিচ্ছেদ করা যাবে না। ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে “তালাক তালাক তালাক” বলে স্ত্রী -সন্তানের ভরণপোষণের দায়-দায়িত্ব ফেলে দেওয়া যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় সম্পূর্ণ বিজ্ঞান সম্মত ও মানবিক। ইসলামের কোথাও এক নিঃশ্বাসে তিন তালাক বৈধ করা নেই। তালাকের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির উল্লেখ পবিত্র কোরানে সুরা তালাকে ও সুরা বাকারায় আছে। কিন্তু কোরানের কোন অংশে এক নিঃশ্বাসে তিন তালাকের উল্লেখ নেই। সুতরাং সুপ্রিম কোর্ট যা বলেছেন তা কেবল মাত্র সমাজে প্রচলিত অন্যায় ও অমানবিক আচরণ ও কাজকে বাতিল করেছেন। ইসলামের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তবে যেহেতু এই কুপ্রথা যত মুষ্টিমেয় মানুষের মধ্যে থাকুক না কেন তা কেবল মুসলিম সমাজের মধ্যেই আছে, তাই এক শ্রেণির মুসলিম এই প্রথার সমর্থনে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক তিন তালাক তো বিধি সম্মত নয়, উল্টে মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে তালাক যে জঘন্যতম অপরাধ, তাও মুসলিম সমাজের কিছু নেতৃত্ব সমর্থন করে চলেছেন। এখন তাঁরা ভাবছেন দেশের আইন আদালত কোরানে হস্তক্ষেপ করছেন। আর বড়ো বিপদটা এখানেই। উল্টো দিকে কিছু উগ্র হিন্দুত্ববাদী একই ভাবনায় বিভোর হয়ে উল্লাসে মিষ্টি বিলি করছেন। যেহেতু এটা একটা মামলা ছিল তাই তার পক্ষে বিপক্ষে দুটো দলও ছিল। এই তাৎক্ষণিক তিন তালাকের পক্ষে ছিল অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল′ বোর্ড এবং জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। এই মামলার বিপক্ষে দলিল, যুক্তি ও কাণ্ডজ্ঞান ছাড়াই লড়াই করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। মামলা চলাকালীন আদালতে যুক্তিহীন যুক্তি খাড়া করলেন “প্রচলিত বিশ্বাস বলে”। হজরত মুহাম্মদ (দ) নিজে এই এক নিঃশ্বাসে তিন তালাক খারিজ করেছিলেন। অথচ এর বৈধতা খোঁজা হচ্ছে একবিংশ শতাব্দীতে। আর যাঁরা আনন্দে উচ্ছ্বাসে উল্লাসে মিষ্টি বিতরণ করছেন তাঁরা ভাবছেন মুসলিমদের পরাজয়, যদিও মুখে বলছেন মুসলিম মহিলাদের সর্ব রোগের ওষুধ। এই রায়ের আনন্দে যাঁরা আজ আবির ছড়িয়ে ছবি তুলছেন তাঁরা মুসলিমদের প্রকৃত কল্যাণ চাইলে সাচার কমিটির রিপোর্ট ও সুপারিশ নিয়ে অনেক আগেই কর্মসূচি নিতে পারতেন। কারণ এই তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথা যত খারাপই হোক না কেন ভারতে এই প্রথায় মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ মাত্র ০.৩% অর্থাৎ এক শতাংশেরও কম। সদ্য প্রকাশিত এক তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় ৩৩১ টি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনার মধ্যে মুখে তিনবার তালাক উচ্চারণ করে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা মাত্র একটি। অর্থাৎ ০.৩শতাংশ মাত্র। Centre for Research and Debates in Development Policy (CRDPD) এই সমীক্ষা প্রকাশ করেন গত মে ২০১৭ সাল। গত সেনসাস রিপোর্ট ২০১১ অনুযায়ী দেখা যায় যে ভারতের বিবাহ বিচ্ছিন্ন মহিলাদের মধ্যে ৬৮% হিন্দু এবং মাত্র ২৩% মুসলিম। বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা গোয়ায় সব চেয়ে কম এবং সব চেয়ে বেশি গুজরাটে। (ummid.com).কিন্তু সংখ্যা বা শতাংশ কোন অন্যায়কে সমর্থন করার হাতিয়ার হতে পারে না।
প্রকৃতপক্ষে একজন মহিলাও যদি যে কোন অন্যায়ের শিকার হয় তার প্রতিবাদ করা মানবিক দায়িত্ব। কিন্তু বৃহত্তর সংখ্যা চোখে পড়ে না অথচ ক্ষুদ্রতম সংখ্যা চোখ এড়িয়ে যায় না, সমস্যাটা সেখানে। আসলে কোন ঘটনা যত গভীর ও ব্যাপক হোক না কেন, তার কোন গুরুত্ব নেই যদি এই ঘটনা রাজনৈতিক ইস্যু উৎপাদন করতে না পারে। কিন্তু পাঁচজন মুসলিম মহিলার একটি মামলা সারা ভারত তোলপার করে দিতে পারে। এটাও আর এক “ঐতিহাসিক রায়”। সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাক খারিজ করেন নি, খারিজ করেছেন একসাথে তিন তালাক উচ্চারণ করে বিবাহ বিচ্ছেদের পদ্ধতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই পার্থক্যটুকু ধরার ধৈর্য ধরতে পারলেন না। তিনি টুইট করে জানিয়ে দিলেন “Judgment of Hon’ble SC on Triple Talaq is historic. It grants equality to Muslim women and is a powerful measure for women empowerment. 1:45pm 22 Aug 17.” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ পাল্টা টুইট করে ভুল ভাঙিয়ে দিলেন,”MrPM,Supreme Court has suspended ‘Instant Triple Talaq’. Educate yourself n convey it ur Followers.” প্রবীণ আইনজীবী সোলি সোরাবজির মতে “দেশে মহিলাদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, লিঙ্গবৈষম্য দূর করার পথে এই রায় এক মাইলফলক।” তাহলে দেখা যাচ্ছে যেখানে শুধু মুসলিমদেরই একশতাংশেরও কম মহিলা এই রায়ের সাথে সম্পর্কিত সেখানে দেশের কয়েক কোটি মহিলাদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবে। শাসক দল বিজেপি একটা “সুবর্ণ সুযোগ” পেয়েছে কিছু একটা করার। এই রায় এমনই গুরুত্বপূর্ণ যে মাননীয় আইন মন্ত্রী ও মাননীয় অর্থমন্ত্রী পর্যন্ত সুচিন্তিত মতামত দিয়ে রেখেছেন। অনেক মন্ত্রী নেতাদের দাবি “নতুন ভারতের” দিকে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। “আর মোদীর কাছে এই রায় ‘ঐতিহাসিক, মুসলিম মহিলাদের সাম্য ও ক্ষমতায়নের পক্ষে জোরদার পদক্ষেপ’।” রাহুল গান্ধী রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে মন্তব্য করেছেন, “সুবিচার পেতে লড়েছেন মহিলারা। তাঁদের অভিনন্দন”। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার বিরুদ্ধে মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডের হয়ে যে আইনজীবী কপিল সিবাল লড়েছিলেন তিনি রায় বের হবার পর বললেন,” এই প্রথা ছিল একটি পাপ।”
অর্থাৎ যাঁরা এই মামলার বিরুদ্ধে সওয়াল করেছিলেন তাঁদের নিজেদেরও আত্ম বিশ্বাস ছিল না। আসলে তালাক একটি জঘন্যতম বৈধ কাজ। হজরত মোহাম্মদ (দ) এই তালাক বা ডিভোর্সকে ঘৃণা করতেন। তাৎক্ষণিক তিন তালাক যে ইসলাম অনুমোদন করে না, এই সত্যতা আমাদের দেশের মুসলিম নেতৃত্বের নেই বলেই সমস্যাটা জটিল হয়ে গেছে। এই মামলার প্রথম আবেদনকারী সায়রা বানো তাঁর স্বামীর পাঠানো এক চিঠি পান, যে চিঠিতে “তালাক” শব্দটি তিনবার লেখা ছিল। তারপর তাঁর কাছ হতে দুই সন্তানকে কেড়ে নেওয়া হয়। দ্বিতীয় আবেদনকারী ইশরাত জাহান। তাঁর স্বামী দুবাই থেকে ফোনে “তালাক, তালাক, তালাক” বলে দাম্পত্য জীবন ছিন্ন করে আবার বিয়ে করে এবং ইশরাতের কাছ থেকে তাঁর দুই সন্তানকে কেড়ে নেয়। তৃতীয় আবেদনকারী গুলশান পারভিন। তাঁর স্বামী তাঁকে দশ টাকার স্ট্যাম্পের উপর “তালাক” লিখে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটায়। পারভিন দু বছরের শিশুকে নিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়ে। চতুর্থ আবেদনকারী আফরিন রহমান। তাঁকে পণের জন্যে শারীরিক নির্যাতন করে তাঁর স্বামী তাঁকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরে স্পিড পোষ্টে একটি তালাক লিখে বিবাহ ছিন্ন করে। পঞ্চম আবেদনকারী আতিয়া সিবরি। তাঁর স্বামী তাঁকে একটুকরো কাগজে “তালাক” লিখে দুই সন্তানসহ পথে বসায়। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তাঁরা স্থানীয় মুসলিম নেতা মৌলভি মাওলানা বা ইমাম সাহেবদের সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। এই মামলায় আর এক আবেদনকারী ভারতীয় মুসলিম মহিলা আন্দোলন বলে একটি সংগঠন। এই সংগঠনটি নির্যাতিতা মহিলাদের পাশে দাঁড়ালেন । অথচ সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার বিরুদ্ধে যাঁরা সওয়াল করলেন তাঁরা যদি সেদিন এই অসহায় নির্যাতিতা মহিলাদের পাশে থাকতেন তবে প্রকৃত “ইসলামিক” হওয়া যেত। মাওলানাদের অমানবিক ফতোয়া আজ ইসলামের আবর্জনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পবিত্র কোরআন শরীফ এ বিষয়ে কী বলছে আলোকপাত করা যেতে পারে। “হে নবী! (উম্মতকে বলুন) তোমরা যখন স্ত্রীকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিও ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ হতে বহিষ্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। ”
_____স্ত্রীকে তালাক দিলে ইদ্দতের প্রতি অর্থাৎ মাসিক চক্রের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
_____ইদ্দত গণনা করতে হবে। (পরের আয়াতে আছে, তিন মাস )
_____কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজ (যিনা/ব্যভিচার) লিপ্ত না হলে স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করো না।
উপরের তিনটি সীমা তালাকের জন্য নির্দিষ্ট। এর হেরেফের হলে তালাক হবে না।
সুরা তালাকের ২ নং আয়াতে বলা হয়েছে,”অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দুজন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে।”
দেখা যাচ্ছে ইদ্দতকালে পৌঁছলে স্ত্রীকে রাখা যাবে অর্থাৎ স্বামী স্ত্রী মিল হলে রাখাও যাবে অথবা মনের অমিল হলে তালাক দেবে। এবং তালাকের ক্ষেত্রে দুজন সাক্ষী রাখতে হবে অর্থাৎ একা একা তালাক উচ্চারণ করলে তালাক হবে না। আবার পুনরায় সংসার করতে হলেও দুজন সাক্ষী রাখতে হবে। যদি কেউ বলে তালাকের জন্য কোন সাক্ষীর দরকার নেই, পুরুষ তালাক উচ্চারণ করলেই তালাক হবে, তবে তা সম্পূর্ণ কোরান বিরোধী অর্থাৎ কুফুরি আকিদা। কোরানে যখন সুস্পষ্ট ভাবে বলা আছে তখন আর হাদিস অনুসন্ধান না করলেও চলে। কারণ হাদিস দিয়ে কোরান বাতিল করা যায় না। বরং কোরান দিয়ে হাদিস বাতিল করা যায়। তবু এই বিষয়ে হাদিসে একই কথা বলা হয়েছে।
আবু দাউদ শরিফের কিতাবুত তালাক অধ্যায়ে বলা হয়েছে যে, রাগের মাথায় তালাক দিলে তা তালাক বলে গণ্য হবে না।
হজরত ওমর (রা) সময় তাড়াতাড়ি বিষয়টি ফয়সালা করার জন্য তিনি একে বৈধতা দেন (আবু দাউদ ৩য় খণ্ড) এখানে দেখা যায় নবীজি(দ) এর আইনের সাথে ওমর (রা) আইনের অমিল আছে। এখানে আমরা নবীজির (দ) এর আইন গ্রহণ করব। কারণ নবীজি(দ) একসাথে তিন তালাক অপছন্দ করতেন। যেমন, “এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক একসাথে দিয়েছে শুনে রাসুল (দ) রাগে দাঁড়িয়ে গেলেন। এবং বললেন, তোমরা কি আল্লাহর কিতাবের প্রতি ঠাট্টা করছ? অথচ আমি এখনও তোমাদের মধ্যেই রয়েছি! (সূত্র :মাওলানা মহিউদ্দিনের বাংলা কোরানের তফসির, পৃষ্ঠা ১২৮)
আলোচ্য এই মামলায় একটি তালাকও কোরান মোতাবেক হয়নি। যদি কোরান মোতাবেক হতো এবং আদালত বাতিল করতেন তবে বিতর্ক দেখা দিত। সুপ্রিম কোর্ট তাৎক্ষণিক তিন তালাক বাতিল করেছেন মাত্র। কোরান নির্দেশিত তিন তালাক বাতিল করেন নাই। সুতরাং এই রায় নিয়ে অহেতুক জেদাজেদি বা রাজনীতি করার কোন সুযোগ নেই।



9 thoughts on “তালাক ও রাজনীতি”

    • সত্য যা তা তুলে ধরা আমাদের কর্তব্য। রাজনৈতিক নেতা ও সংবাদ মাধ্যমেরও উচিত সত্যটা তুলে ধরা।

  • I can’t hide my expression on your writing about “impromptu tripple talaq “and supreme verdict by Supre Court but after verdict of Supreme Court some political leaders jumped out and proclaimed as historical verdict that will enlighten the total women of Muslim community, having been ignored the verdict of the holy Quran. You clearly mentioned about tripple talaq mentioning the the Sura Talaq and Bakara of the holy Quran. Firstly they have no idea about Talaq and impromptu Talaq. Talaq may not be completed singly “not in one side, only be completed with the consent of both husband and wife and it has some long process. Impromptu Talaq such as telephonic, WhatApp Talaq by which only 0.3% Muslim women are victimised by some miscreants having no Islamic knowledge. But alas! Why no Muslim Moulabi, Hafiz and Muslim Personal Law Board members did not enlighten the fact. Bukheri Saheb, Imam of Jumma masjid only proclaims as only duty whether Idyl Fitr will be celebrated or not.
    In a nutshell there is no cause of joy of any political party leader, all credit goes to Gulson Pervin(up).Atiya Sabri(up).Afreen Rahaman(Rajasrhan),Ishtar Jahan (wb), and Sayra Banu (uttrakhanda)
    Lastly I have honour the verdict of Supreme Court and your appropriate writing.

    • প্রথমেই আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। সংশ্লিষ্ট এই মামলায় যে মহিলাগণ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা প্রত্যেকেই সুরাহার জন্য কোন না কোন মুসলিম ইমাম বা মৌলভি মাওলানার নিকট সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু সকলেই মুখ ফিরিয়ে নেন। অর্থাৎ ঐ তালাক বৈধ বলে জানিয়ে দেন। এই অনৈতিক অমানবিক কাজের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো ক্ষমতা টুকু তাঁদের ছিল না। আদালতকে হস্তক্ষেপ মুসলিমদের ভুল ও অপদার্থতার জন্যই করতে হয়েছে। আদালত ন্যায় বিচার করেছেন।

  • Thanks a lot for clarifying the issue of ‘Talaq’ so clearly. Very well thought and impartial view you have expressed. I also thank to Mr. Kazi Enamul Hoque for informing that “Talaq may not be completed singly “not in one side, only be completed with the consent of both husband and wife and it has some long process.”

    • এই লেখাটি পড়ে বিষয়টির উপর আপনার যা ধারণা হয়েছে আপনি তা ব্যক্ত করেছেন। প্রকৃত পক্ষে এই ধারণাটাই তুলে ধরতে চেয়েছি, কারণ তালাক বিষয়টি এমনিতেই বেশ জটিল। তার উপর বিভিন্ন প্রকার ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের কাছে আরও দুর্বোধ্য করে তুলেছে। আর যখন কোন বিষয় দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে তখন সেটাই আমাদের দেশে রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে যায়। আপনাদের মতামত আমার এই লেখাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।

  • তিন তালাক এর ব্যাপার টা আমার কাছেও পরিষ্কার ছিল না। আপনাকে ধন্যবাদ জানাই সত্য উদঘাটন এর জন্য। ধন্যবাদ।

    • তিন তালাক সম্পর্কে লেখাটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ জানাই আপনাকে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *