Author: Md Ibrahim

ডাক্তারি ধর্মঘট

ডাক্তারি ধর্মঘট

এ এক অভূতপূর্ব অপ্রাকৃতিক বিপর্যয় সারা বাংলা জুড়ে(১১ জুন ২০১৯-১৭ জুন ২০১৯ ) । প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে যেমন মূলত হতদরিদ্র সহায় সম্বলহীন মানুষগুলি ধনে প্রাণে মারা যায় তেমনই পশ্চিম বাংলার বর্তমান স্বাস্থ্য বিপর্যয়ে সেই দরিদ্র মানুষগুলি করুণার পাত্র হয়ে হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে মাথা ঠুকে ঘুরছে এবং […]

শিশুর বিচার

শিশুর বিচার

পৃথিবীর ১৯৫ টি দেশের মধ্যে সৌদি আরবের মতো এমন বর্বর, নিষ্ঠুর, এবং সন্ত্রাসী দেশ বোধহয় দ্বিতীয়টি নেই। দেশটির প্রাচীন নাম আরব। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের সাথে ১৯৩২ খ্রি. ২৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশদের অনুচর ও সেবাদাস খল ও ধূর্ত আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদ ব্রিটিশদের সাথে অশুভ আঁতাত করে […]

মাতৃদিবস

মাতৃদিবস

বারো মে (12, May) আন্তর্জাতিক মাতৃদিবস। কত আলোচনা, সভা সমিতি, অনুষ্ঠান প্রভৃতির মাধ্যমে দিনটি বিভিন্ন ভাবে পালিত হয়।বহু মহাপুরুষদের বাণী ও জীবন আলোচনা হয়। হজরত মোহাম্মদ (সঃ) বলেন, “মায়ের পায়ের তলায় সন্তানের বেহেস্ত।” একবার এক যুবক হজরত(সঃ)এর কাছে বায়াত হতে এলেন (দীক্ষা নিতে এলেন)। কিন্তু যুবক বারবার চেষ্টা করেও কলমা (মন্ত্র) সঠিক উচ্চারণ করতে পারছে না। তখন হজরত (সঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন বাড়িতে তার কে আছেন। যুবক যখন জানায় যে, বাড়িতে তার মা আছেন তখন হজরত (সঃ) যুবকটিকে বললেন, “বাড়ি গিয়ে কিছু দিন মায়ের সেবা কর।তারপর আবার আমার কাছে এসো। তখন সঠিক উচ্চারণ করতে পারবে।” হজরত (সঃ)বুঝতে পারলেন যে তার মাতৃসেবায় এমন ত্রুটি আছে যে, সে কলমাও (মন্ত্র) শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করতে পারছে না। প্রত্যেক মানুষের কাছে তার মায়ের মূল্য অপরিমেয়। এমন একটি দিন নেই যে আমার মা কে আমার মনে পড়ে না। সেদিনটি আমার খুব মনে পড়ে যেদিন আমার মা আমার সামনে থেকে ধীরে ধীরে চলে গেলেন। মায়ের পায়ে হাত দিয়ে অপলক তাকিয়ে আছি মায়ের মুখ পানে। একটি বিস্ময়কর মহামুহূর্ত এল। মায়ের স্পন্দন স্তব্ধ হল। আমার জীবনের সর্বোচ্চ স্বরে নিজের কান্না আমি শুনতে পেলাম। অশ্রুধারায় চারিদিক অস্পষ্ট। বুঝলাম আমি মাতৃহারা। মনে হল পৃথিবীটা ভরশূন্য। আমি ঝরা পালকের মতো উড়ে যাচ্ছি। আমাকে ধরার কেউ নেই। সেদিন মনে হল পৃথিবীতে যাদের মা নেই তারা কত অসহায়, যাদের মা আছে তারা কতই না ভাগ্যবান। মা-ই পৃথিবী। ভূমিষ্ট সমস্ত জীবই মাতৃনির্ভর। মাতৃস্নেহের কোনও সংজ্ঞা হয় না। সন্তানের প্রতি মায়ের কোনও শর্ত নাই, কারণ ঈশ্বর সমস্ত মায়ের হৃদয় সন্তানের জন্য নির্মল করে রেখেছেন। জৈবিক বয়স যতই বাড়ুক, মা – সন্তানের বয়স বাড়ে না। আমি মাতৃহারা হয়ে প্রথম যেদিন বাড়ির বাইরে গেলাম সে এক দুঃস্বপ্নের দিন। এতদিন ধরে মা ডাকে বাড়ি ঢোকতাম। আজ মা নাই, বাড়ি ঢোকার সময় মুখে কোনও শব্দ খুঁজে পাই না।মাতৃহীন গৃহ যেন প্রাণহীন বাড়ি। এখন আমি আমার মতো করে মাকে প্রতি মুহূর্তে কাছে পাই। মা ছাড়া আমার কোনও অস্তিত্ব নাই। গ্রামের মাটিতে মা শায়িত আছেন তাই এই গ্রামের মাটি আমার পুণ্যভূমি। মায়ের কবরের পাশে গিয়ে জিয়ারত করি। হৃদয়ে প্রশান্তি নিয়ে ফিরে আসি। প্রতিদিন আমার মাতৃদিবস। প্রতি মুহূর্ত আমার মাতৃমুহূর্ত।

রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথ

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো রে ॥ যদি কেউ কথা না কয়, ওরে ওরে ও অভাগা, যদি সবাই থাকে মুখ ফিরায়ে সবাই করে ভয়— তবে পরান খুলে ও তুই মুখ ফুটে […]

রমজান

রমজান

আবার রমজান ফিরে এল প্রেমের বার্তা বহন করে। হজরত মোহাম্মদ (সঃ) এর আবির্ভাবের আগেও রমজান মাস ছিল কিন্তু সে রমজান ছিল আরবি মাসের আর এগারোটা মাসের মতোই। রমজান মাস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল ৬২৩ খ্রিস্টাব্দে। হজরত মোহাম্মদ (সঃ) তাঁর জন্ম শহর মক্কা থেকে মদিনা হিজরত […]

সাধ্বীর অভিশাপ

সাধ্বীর অভিশাপ

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক নেতা – নেত্রীদের কুকথার বন্যা ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সমস্ত স্থাপত্যের ভিত নড়িয়ে দিচ্ছে। কয়েকদিন আগে এক নির্বাচন প্রার্থী সাক্ষী মহারাজ যিনি নিজেকে সন্ন্যাসী বলেন, তিনি ভারতের সাধারণ নিরীহ নাগরিকদের অভিশাপ দেওয়ার হুমকি দেন। সাধারণত কোনও প্রার্থী মানুষের কাছে গিয়ে তাদের আশির্বাদ প্রার্থনা করেন। কিন্তু প্রার্থী নিজে মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে তাদের অভিশাপ দেন, এমন কাহিনী মানুষের অজানা। মনে হল এমন নিকৃষ্টতম ভাষণ রাজনীতির ময়দানে বোধ হয় শেষ ভাষণ । কিন্তু সেই নিকৃষ্টতম ভাষণের আরও নিম্ন পর্যায়ের ভাষণ শোনা গেল আর এক নির্বাচন প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা সিংহ ঠাকুরের মুখে। তিনিও নিজেকে সাধ্বী বলেন। নিজের অতিপ্রাকৃতিক শক্তি জাহির করতে হেমন্ত কারকারের শহিদ হওয়াকে প্রমাণ হিসাবে ঘোষণা করেছেন।ভারতের ইতিহাসে 2008 খ্রিস্টাব্দের 26 নভেম্বর এক কালো দিন। মুম্বই শহর আক্রান্ত হয় বিদেশি সন্ত্রাসীদের দ্বারা। বীর নিষ্ঠাবান কর্তব্যপরায়ণ ও দেশপ্রেমিক হেমন্ত কারকারে ছিলেন মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের প্রধান। অকুতোভয় হেমন্ত কারকারে সন্ত্রাসীদের খতম করে শহিদ হন সেই মর্মান্তিক জঙ্গি হামলায়। হেমন্ত কারকারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। তাঁর সাহসিকতার জন্য দেশ তাঁকে “অশোকচক্র” সম্মানে সম্মানিত করে। ‘খুন, সন্ত্রাস, দাঙ্গার চক্রান্তের মতো গুরুতর ধারায় অভিযুক্ত প্রজ্ঞা মালেগাঁও বিস্ফোরণ ও আজমের দরগার সামনে বিস্ফোরণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত, আপাতত জামিনে মুক্ত। এই প্রজ্ঞাকে গ্রেপ্তার করেছিলেন হেমন্ত কারকারে।ʼ গতকাল (19 এপ্রিল) প্রজ্ঞা সদম্ভে জানিয়ে দেন যে, তিনি হেমন্ত কারকারেকে অভিশাপ দেন তিনি যেন ধ্বংস প্রাপ্ত হয়ে যান, কারণ হেমন্ত কারকারে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেরা করেছিলেন। তাই তাঁর অভিশাপে হেমন্ত কারকারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।দেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠায় এবং তাঁর মন্তব্য ‘শত্রুদের খুশি করেছে’ বলে প্রজ্ঞা শেষমেশ ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছে।প্রকৃতপক্ষে সন্ত্রাসীদের অমানবিক আচরণ ও নৃশংস হত্যা এবং প্রজ্ঞা সিংহ ঠাকুরের মতো মানুষদের মানসিকতা একই আনুভূমিক তলে অবস্থিত। হেমন্ত কারকারের মতো আত্মত্যাগী দেশপ্রেমী সন্তানদের অভিশাপ দেওয়ার কৈফিয়ত সব সময় প্রস্তুত আছে এই বিকৃত মানসিকতার নেতা নেত্রীদের মধ্যে, তা হল “হেমন্ত কারকারে ছিলেন বিশ্বাসঘাতক ও হিন্দু – বিরোধী”। “কিন্তু এমন মন্তব্য শুধু শহিদ হেমন্ত কারকারের প্রতি অসম্মানের নয়, বরং অসম্মানের সকলের প্রতি যাঁরা ভারতের পক্ষে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহিদ হয়েছেন”, বলেছেন প্রাক্তন আই পি এস অফিসার সুধাকর সুরাধার।

গণতন্ত্রের সঙ্কট

গণতন্ত্রের সঙ্কট

স্বাধীন ভারতের সব চেয়ে বড়ো কৃতিত্ব তার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা । এই উপমহাদেশে ভারতের পড়শি দেশগুলিতে সামরিক বাহিনীর হাতে গণতন্ত্র যখন বারবার বিধ্বস্ত হয়েছে ভারত তখন স্বমহিমায় তার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সৌন্দর্যের পূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন ভারতের সেই গণতন্ত্র জমিনে এখন বিষবৃক্ষের চারা রোপনের […]

জালিয়ানওয়ালাবাগ

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যার একশো বৎসর পূর্ণ হল। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ১৩ এপ্রিল অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অম্রিতসরের কাছে জালিয়ানওয়ালাবাগ নারকীয় হত্যালীলা ব্রিটিশ অপশাসন ও নিষ্ঠুর অত্যাচারের আর এক বীভৎস ইতিহাস। কুখ্যাত রাওলাট আইনের প্রতিবাদ করার ফলে বিনা প্ররোচনায় বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ডঃ সৈফুদ্দিন কিচলু ও ডঃ সৎপালকে […]

কুমুদ মেলা

পল্লী কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের জন্ম ভিটে কোগ্রামে যখনই আসি আমার মনে হয় আমি প্রতিবারই কবির দর্শন পাই। আজ ৩ মার্চ ‘১৯, তাঁর জন্ম দিন উপলক্ষে যে গুণীজন সম্মেলন হল কবিগৃহ “মধুকর” এর আঙিনায় আম্রকুঞ্জে তা বেশ কবিতাময় হয়ে উঠেছিল। আমার কবি দর্শনের প্রথম দিনের কথা আজও মনে পড়ে।১৯৬৪ সালের শরতের এক উজ্জ্বল দিন। সামনে উত্তর দিকে আজয় বয়ে চলেছে আপন খেয়ালে দু কিনারা পূর্ণ করে। বাড়ির পূব দিকে কুনুর এসে মিশেছে অজয়ের বুকে। পানসি নৌকায় কুনুর পেরিয়ে পৌঁছালাম কবির বাড়ি। চারিদিকে বড়ো বড়ো আম গাছের বাগানে আরও কত গাছ। নিবিড় সবুজে ঘেরা কবির গৃহ খানি । হরেক পাখির কূজনে কিন্তু ডাবুকের ডাক যেন সব কিছুকেই ছাপিয়ে চলেছে অবিরত। স্কুলের পাঠ্য পুস্তকে মুখস্থ করা “আমার বাড়ি” কবিতার লাইন,
‘বাড়ি আমার ভাঙন ধরা অজয় নদীর বাঁকে,
জল যেখানে সোহাগ ভরে স্থলকে ঘিরে রাখে।‘
পুরো কবিতা মনে মনে আবৃত্তি করি আর প্রতিটি শব্দের বাস্তব রূপ মিলিয়ে দেখি। কোগ্রামের বিদ্যালয়ের ছাত্রদের আপন গ্রামের সেই কবিতা পাঠের আনন্দ আজ আমি বেশ অনুভব করি।অনুমতি নিয়ে কবির লেখার ঘরে প্রবেশ করে কবিকে প্রণাম করি। কবি মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করেন। নাম ধাম জিজ্ঞেস করলেন। জিজ্ঞেস করলেন আমি কোন ক্লাসে পড়ি। তারপর তাঁর কোন কবিতা পড়েছি জানতে চাইলেন। তাঁর ইচ্ছায় “আমার বাড়ি” কবিতাটি আমি আবৃত্তি করে শোনাই। আপন পাঠ্য পুস্তকের কোনও কবিতা কবিকে তাঁর গৃহে আবৃত্তি করে শোনাবার দুর্লভ সৌভাগ্য সেদিন আমার হয়েছিল, যা আমার বাকি জীবনের অমূল্য এক স্মৃতি – সম্পদ। পরে আর একবার তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর বাড়ি যাই মাসিক “পথের সন্ধান” পত্রিকার জন্য একটি কবিতা আনতে। কিন্তু তিনি বাড়ি না থাকায় আর সাক্ষাত হয়নি। তবে তিনি একটি কবিতা লিখে রেখেছিলেন পত্রিকার জন্যে। আমার আলা হজরত মহবুব আলম চিশতি ছিলেন “পথের সন্ধান” নামক সাহিত্য ও সমাজসংস্কার মূলক পত্রিকাটির সম্পাদক। “পথের সন্ধান” পত্রিকা বর্ধমান জেলার কালুতাক গ্রাম হতে প্রকাশিত হত । সেই সময় উভয় বাংলার বহু কবি সাহিত্যিক শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের লেখায় সমৃদ্ধ হয়ে পত্রিকাটি সুধী সমাজে বিশেষ স্থান অধিকার করেছিল। কোগ্রামের প্রাচীন নাম উজানী বা উজ্জয়িনী যা বৃহত্তর মঙ্লকোটের অন্তর্গত। এই কোগ্রাম কেবল কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের জন্ম স্থানই নয়। বৈষ্ণব কবি লোচনদাসেরও জন্মস্থান এই কোগ্রাম। লোচনদাস ষোড়শ শতাব্দীতে শ্রীচৈতন্যমঙ্গল কাব্য রচনা করেন। লোচনদাসের মন্দির পল্লী কবির বাড়ির ঠিক পশ্চিমে অবস্থিত। কোগ্রাম বা উজ্জয়িনী একান্ন পীঠের এক সতীপীঠ।এখানে দেবী মঙ্গলচণ্ডীর মন্দির অবস্থিত লোচনদাস মন্দিরের পশ্চিমে অজয়ের তীর ঘেঁষে। সতীর ডান কনুই পতিত হয় এখানে, ভৈরব কাপিলাম্বর।
বিগত এগারো বছর ধরে কুমুদমেলা কমিটি ৩ মার্চ কোগ্রামে কবির জন্মদিন পালন করে আসছেন। সেই সাথে বৈষ্ণব কবি লোচনদাসের উপরেও আলোচনা হয়। কুমুদমেলা কমিটির তরফে সভাপতি সামসুজ্জোহা শ্যামলাল মকদমপুরী ও সম্পাদক মোল্লা জসিমউদ্দিন তাঁদের সক্রিয় উদ্যোগে সকলের সহযোগিতায় গুণীজন সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এ বৎসর যাঁরা সংবর্ধিত হলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য শ্রীমতী সবুজকলি সেন। তাঁর মনোজ্ঞ আলোচনা এবার কবির জন্মদিন পালনে বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের কবিতা স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষ ভাবে আলোচিত হয়। বৎসরের অন্তত একদিন বাউল সন্ন্যাসী থেকে শুরু করে চিকিৎসক পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে কবি প্রাঙ্গণ সুরোভিত ও সুশোভিত হয়ে ওঠে।

তিন তালাক

তিন তালাক

ভারতের সংসদের নিম্ন কক্ষে ‘মুসলিম মহিলা `বিল ২০১৮{The Muslim Women (Protection of Rights on Marriage)Bill, 2018 } সংখ্যাগরিষ্ঠের দৌলতে পাশ হয়ে গেল গত ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে। এমন হাস্যকর ও অপ্রয়োজনীয় বিল ভারতের সংসদে আগে কখনও পাশ হয়নি। বিলটি মূলত মুসলিম সমাজের তাৎক্ষণিক তিন তালাকের […]